শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

করোনা রোধে 'বুস্টার' তৈরিতে নামছে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন


বিশ্বজুড়ে করোনার বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন তৈরির প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) গতকাল বৃহস্পতিবার আগামী বছরে কোভিড-১৯ শটগুলোর জন্য ভ্যাকসিন কার্যকারিতা বুস্টারগুলোর (অ্যাডজুভান্টস) ১০০ কোটি ডোজ উৎপাদন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।



বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ব্রিটিশ এ ওষুধ উৎপাদনকারী বুস্টার বা অ্যাডজুভান্টস উৎপাদন সম্প্রসারণকে সমর্থন করার জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে, যা কোভিড -১৯-এর ভবিষ্যৎ ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করবে.
জিএসকের অ্যাডজুভান্টটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে করোনভাইরাস বিরুদ্ধে পরীক্ষা চলা সাতটি ভ্যাকসিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে । এর মধ্যে গত এপ্রিলে আরেক ওষুধ নির্মাতা সানোফির তৈরি ভ্যাকসিনটিও রয়ছে।


প্রচলিত টিকার পদ্ধতিতে অ্যাডজুভান্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী অনাক্রম্যতা তৈরি করতে পারে। অ্যাডজুভান্টসের কারণে একটি ভ্যাকসিনে প্রোটিনের কম ডোজ লাগে বলে বেশি ভ্যাকসিন উৎপাদন করা যায়।

এ কর্মসূচির খরচের বিষয়টি প্রকাশ করেনি জিএসকে। তারা বলেছে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় তারা উৎপাদনে যাবে এবং এর মুনাফা তারা ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে গবেষণা কাজে খরচ করবে।

জিএসকে গ্লোবাল ভ্যাকসিনের প্রেসিডেন্ট রজার কনর বলেন, 'আমরা মনে করি, বিশ্বব্যাপী মহামারি মোকাবিলায় একাধিক ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে এবং আমরা তা করার জন্য বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি।'

সানোফির সঙ্গে সহযোগিতার পাশাপাশি জিএসকে চীনা বায়োটেক সংস্থা ক্লোভার বায়োফর্মাসিউটিক্যালস, শিয়ামেন ইনোভাক্স এবং অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জোটগুলোতে সহায়তা করেছে।
অ্যাডজুভান্টস উৎপাদনের ঘোষণার জিএসকের শেয়ারের দাম বেড়ে গেছে।বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, একটি সফল ভ্যাকসিন তৈরি করতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে।

লকডাউন থেকে রক্ষা পাওয়ার ও অর্থনীতি সচল করার সর্বোত্তম আশা হিসেবে বিভিন্ন সংস্থা এবং সরকার কয়েক ডজন ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে অর্থ সহযোগিতা করছে। ১০০টির বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বজুড়ে কাজ চলছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাত্র ১০টির মতো ভ্যাকসিন মানুষের ওপর পরীক্ষার পর্যায়ে এসেছে। এখন তা মানুষের ক্ষেত্রে নিরাপদ ও কার্যকর কি না, তা দেখা হচ্ছে, যাতে অধিকাংশ ভ্যাকসিনের ব্যর্থতা দেখা যাচ্ছে।

কিছু ভ্যাকসিন অবশ্য অ্যাডজুভান্টস ছাড়াই কাজ করে। এই ভ্যাকসিনগুলো এম-আরএনএ ভিত্তিক, যা তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ও বায়োনটেক। এতে শরীরে জেনেটিক কোড প্রবেশ করিয়ে কোষকে ভাইরাস সদৃশ প্রোটিন তৈরি করতে নির্দেশ দেয়, যা রোগ প্রতিরোধী প্রতিক্রিয়া দেখায়।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ভাইরাল ভেক্টর পদ্ধতিতে কাজ করছে, যাতে নিরীহ ভাইরাস মানব কোষকে ভাইরাসের মতো প্রোটিন তৈরি করতে বলে। এতেও অ্যাডজুভান্ট প্রয়োজন পড়ে না। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১২০ কোটি মার্কিন ডলারে ১০০ কোটি ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জেএসকে বলেছে, বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর কাছে এ সহায়কটিকে উপলব্ধি করা তাদের প্রচেষ্টার মূল অংশ হবে।


সোমবার, ২৫ মে, ২০২০

সুন্দরী পূজার বিয়ের প্রস্তাবে যা বললেন ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি!



অনলাইন ফোরামে নিজের চাহিদা লিখে পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন পূজা চৌহান নামে পঁচিশ বছর বয়সের এক যুবতী। যুবতীর পোস্টটি পড়ে উত্তর দিলেন স্বয়ং ধনকুবের মুকেশ আম্বানি।
মুকেশ আম্বানি ও জনৈক পূজা চৌহানের সেই পোস্ট নিয়ে এখন জোর চর্চা অনলাইন দুনিয়ায়। কী রয়েছে পোস্টটিতে?


পূজা চৌহান লিখছেন,
আমি এই বছর ২৫ বছরে পা দেব। খুবই সুন্দরী। স্টাইলিশ, রুচিশীল। আমি এমন একজন স্বামী চাই, যাঁর বার্ষিক বেতন হবে ১০০ কোটি বা তার বেশি। আপনি হয়তো বলবেন, আমি একটু বেশিই উচ্চাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু বর্তমানে বার্ষিক ২ কোটি টাকা বেতনে একেবারেই মধ্যবিত্তের মতো জীবনযাপন করতে হয়। সেদিক থেকে আমার চাহিদা একেবারেই বেশি নয়। এই ফোরামে এমন কেউ আছেন, যাঁর বার্ষিক বেতন ১০০ কোটি টাকা? তাঁরা কি সবাই বিবাহিত?
কেন আপনাকে আমি বিয়ে করব? এখনও পর্যন্ত আমি যতগুলো ডেটে গিয়েছি, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতনের পুরুষটির বেতন ছিল বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা। অতএব আমি ৫০ কোটি টাকার পর থেকেই ভাবছি। তার কারণ কেউ যদি নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে অভিজাত এলাকায় বসবাস করেন, তাহলে বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা বেতন একেবারেই যথেষ্ট নয়। আমি কিছু প্রশ্ন করছি।
কেন সব ধনী ব্যক্তিদের স্ত্রীরা দেখতে মোটামুটি মানের হয়? আমার কিছু বান্ধবী আছে, তারা দেখতে খুব একটা ভালো নয়, কিন্তু তাদের বিয়ে হয়েছে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে। ধনী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আমার প্রশ্ন, আপনি কী দেখে সিদ্ধান্ত নেন, যে এই মহিলা আমার স্ত্রী হবেন, আর ইনি গার্লফ্রেন্ড?

ওই ফোরামটিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি রয়েছেন। তিনি পোস্টটি দেখে উত্তর দেন। বুদ্ধিদীপ্ত সেই উত্তরটি হল—
প্রিয় পূজা,
আমি আপনার পোস্টটি খুব মন দিয়ে পড়েছি। এবং দেখলাম, আরও বহু মেয়ের আপনার মতোই প্রশ্ন রয়েছে। দয়া করে একজন পেশাদার লগ্নিকারী হিসেবে আপনার প্রশ্নগুলিকে একটু বিশ্লেষণ করতে দিন।
আমার বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকার বেশি। আপনার চাহিদা মতোই। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে, আপনাকে বিয়ে করা খুবই খারাপ সিদ্ধান্ত হবে। খুব সহজ উত্তর। দেখুন, আপনি চাইছেন, সৌন্দর্য ও টাকার বিনিময়। অর্থাৎ আপনাকে বিয়ে করলে একজন সুন্দরী স্ত্রী পাওয়া যাবে। তার বদলে আপনি হবেন ধনী। কিন্তু সমস্যা হল, আপনার এই যৌবন ও সৌন্দর্য একসময় শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমার টাকা শেষ হবে না। বস্তুত, প্রতি বছর আমার আয় বাড়বে। কিন্তু প্রতি বছরই আপনি আরও সুন্দরী হয়ে উঠবেন না।
অতএব অর্থশাস্ত্রের নিরিখে, আমি একজন অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। আর আপনি ডেপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। অর্থাৎ আপনার যৌবন ও রূপই যদি আপনার সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে ১০ বছর পর আপনার সম্পত্তি অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিটে একটি প্রবাদ আছে, প্রত্যেক ট্রেডিংয়ের একটি পজিশন থাকে। আপনার সঙ্গে ডেটিং-ও একটা ট্রেডিং পজিশন। যদি ট্রেড ভ্যালু কমে যায়, তাহলে তা আমরা বিক্রি করে দিই। খামোখা দীর্ঘমেয়াদী ফেলে রেখে লাভ নেই। একই ভাবে আপনাকে বিয়ে করলেও তাই হবে। শুনতে খুব খারাপ লাগলেও সত্যি, যে কোনও সম্পত্তি, যার ডেপ্রিসিয়েশন ভ্যালু বেশি, তা বিক্রি করে দেওয়া বা লিজ দেওয়াই লাভজনক।
যে ব্যক্তির বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকা, সে নিশ্চয়ই বোকা নয়। ব্যবসায়ী দৃষ্টিভঙ্গিতে আপনার সঙ্গে ডেট করাই যায়, কিন্তু বিয়ে করা যায় না। অতএব কোনও ধনীকে বিয়ে করার স্বপ্ন আপনার না দেখাই বুদ্ধিমানের। বরং নিজে ১০০ কোটি আয় করার চেষ্টা করুন। কোনও ধনীকে বোকা বানানোর চেয়ে ভালো হবে। আশা করি এই উত্তরটি আপনাকে ভাবতে সাহায্য করবে!!!

Collected

রবিবার, ২৪ মে, ২০২০

প্রোফাইলে ঢুকতে পারছি না! সমাধান



প্রশ্ন:জানি যে এই মূহর্তে ডেভেলপমেন্টের কাজ চলছে,  তারপরও বেশিরভাগ লোকের  প্রোফাইল ঠিক ভাবে দেখা যাচ্ছে।  অল্প সংখ্যক লোকের প্রোফাইল এ ক্লিক করলে প্রোফাইলে ঢুকতে পারছি না। আমি অনেকদিন যাবত নিজের প্রোফাইলে ঢুকতে পারছি না ।  বারবার 404 page not found   লেখা উঠছে - এর কারণ কি এবং এর সমাধান কি?

উত্তর:
শুধু আপনিই না। আমরা সবাই বিস্ময় ব্যবহার কারিরা নিজেদের প্রফাইলে সরাসরি ঢুকতে পারছিনা কারন বিস্ময়ের ডেভেলপমেন্টের এর কাজ এখনো শেষ হয় নি।কাজেই প্লিজ অপেক্ষা করুন ও বিস্ময়ের সাথে থাকুন।



তবে হ্যা আপনি অন্যের প্রোফাইলে যেতে পারবেন এতে তাদের একাউন্ট নামে ক্লিক করে ঢুকতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি আপনার কোন উত্তর থেকে আপনার উক্ত প্রোফাইল নামে ক্লিক করে আপনার প্রোফাইল এ যেতে পারবেন তবে প্রোফাইল আইকন থেকে প্রোফাইল এ যাওয়া যাচ্ছে না।অপেক্ষা করুন প্লিজ সমাধান হয়ে যাবে।

ধন্যবাদ।

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

গুগলের গেস্ট মোড বন্ধের উপায় কী ?



সমস্যা : উইন্ডোজ 10, ডেস্কটপ কম্পিউটারে গুগল ব্রাউজারে আমি আপত্তিকর/নেতিবাচক ওয়েবসাইট বন্ধ করার উপায় খুঁজছিলাম। অতীতে ‘কে9 ওয়েব প্রটেক্টর’ ব্যবহার করলেও বর্তমানে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছি। সাইট ব্লকার ব্যবহার করে আমি শত শত ওয়েবসাইট ব্লক করলেও সিস্টেমটা গুগল গেস্ট মোডে কাজ করেনা। তাই গুগল ক্রোম থেকে স্থায়ীভাবে গেস্ট মোড রিমুভ করার কার্যকর উপায় জানতে চাচ্ছি। প্যারেন্টাল এ্যাপ ব্যবহার করেও চেষ্টা করেছি। কিন্তু, সেক্ষেত্রে ডাইরেক্ট মন্দ ওয়েবসাইটে ঢোকা না গেলেও প্রক্সি ওয়েবসাইট ব্যবহারে বাইপাস করা যায়। তাই গেস্ট ও নরমাল উভয় মোডেই সকল প্রক্সি সাইট ব্লক করার উপায় কিংবা গেস্ট মোডটাকেই রিমুভ করার উপায় জানতে চাই। 



সমাধান :
১.  প্রথমে Windows key + R চাপতে হবে।
২. open এর ফাঁকা স্থানে compmgmt.msc লিখতে হবে ।
৩. Enter Key বা Ok তে চাপতে হবে । 
৪. তারপর বাম পাশে Local Users and Groups আসবে এবং সেখানে click করতে হবে ।
৫. তারপর Users এবং Groups নামে দুটি folder আসবে ।
৬.Users এ click করতে হবে ।
 ৭. তারপর Guest এ click করতে হবে ।
 ৮. তারপর Account is disabled এর তীর চিহ্নতে click করে তা উঠিয়ে দিতে হবে ।
৯. তাহলেই Guest mode বন্ধ হবে ।
 [ আমি এখানে click বলতে প্রবেশ করাকে বুঝিয়েছি ]
গেস্ট মোড বন্ধ করার একটা টিউটোরিয়াল পেয়েছি, হয়তো আপনাদের কাজে আসবে
লিঙ্ক:
https://youtu.be/H_7WW4C16z4

শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

জিমেলের To Cc Bcc এর অর্থ কি

জিমেলের To Cc Bcc এর অর্থ কি

এখন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, এটা অনেকে জেনে থাকতে পারেন আবার কেউ কেউ অল্পও জানতে পারেন। যাইহোক, আশা করি একটু কিছু হলেও জানতে পারবে। বর্তমান সময়ে আমরা E-mail শব্দটা খুব বেশি শোনে থাকি, তো আমরা কাউকে Mail করতে গেলে
To, Cc, Bcc

এই তিনটা option পেয়ে থাকি। এখন এটা নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করবো।

E-mail= আগেকার দিনে আমরা চিঠি লিখতাম, এখন চিঠি লিখি Electronically. এই electronically চিঠি লিখতে গিয়ে আমরা অনেক সময় জটিলতায় পরে যায়। আপনি চিন্তা করেন তো, আমরা যখন mail typing করি তখন কি আসে, To, Cc, Bcc মানে কাকে পাঠাবো।

এই জায়গায় অনেক সময় জটিলতায় পরি। এখন আমি সহজ করে এটি সমাধান করে দিচ্ছি। To এর পাশের খালি ঘরে যে email Id রাখবো, তার কাছে মেইল যাবে। এটা সবাই জানি। এখন আসি একটু জটিলে।

Cc= Carbon Copy. অনুলিপি। মানে হুবহু copy.তো আপনি একজনকে mail পাঠালেন আর cc তেও আরেক জন বা কয়েক জনকে রাখলেন। এর মানে হলো আপনি যাকে mail টা পাঠাচ্ছেন, ccতে থাকা ব্যক্তির কাছেও যাবে। এখন প্রশ্ন করতে পারেন To তে না রেখে cc তে রাখবো কেনো? সবার কাছেই তো যাবে। এটার উত্তর দিচ্ছি। মনে করেন আপনি একজনকে mail পাঠাবেন, তখন আবার চিন্তা করলেন এই মেসেজ টা অন্য আরেক জনেরও জানা দরকার। আরেক জন, মানে ২য় ব্যক্তি। Mail টা ২য় ব্যক্তির নয়। ২য় ব্যক্তি শুধু জেনে রাখবে আপনি এই কাজটা করেছেন। এই ক্ষেত্রে cc ব্যবহার করবেন। তখন cc তে থাকা ব্যক্তি mail পাবে কিন্তু সে দেখতে পাবে মূলত Mail টা cc তে থাকা ব্যক্তির নয় এটা আরেক জনকে পাঠানো হয়েছে। কাকে পাঠানো হয়েছে তা cc তে থাকা ব্যক্তি বুঝতে পারবে, এবং cc তে থাকা ব্যক্তি রিপলে দিতে পারবে এবং এই রিপলে সবার কাছে চলে যাবে। আশা করি cc বুঝতে পারছেন।

এখন আসি Bcc= Blind Carbon Copy. অনেকটা cc এর মতো কিন্তু এটা blind, কেউ দেখতে পারবে না। মনে করোন,একটা mail আপনি কাউকে পাঠাবেন এবং এই mail টাই অন্য আরেক জনকে পাঠাবেন কিন্তু এটা শুধু আপনি জানবেন, যাদের পাঠাবেন তারা কেউ জানবে না আপনি আর কাকে এটা পাঠিয়েছেন। এই ক্ষেত্রে bcc কাজে লাগাবেন।
যখন আপনার দরকার হবে যে, আমি ৫০জনকে mail পাঠাবো কিন্তু এটা ওনারা একজন আরেক জনকে জানতে পারবে না। তখন Bcc কাজে লাগাবেন। তাহলে কেউ কাউকে দেখতে পারবে না, কারো mail অন্য কারো কাছে যাবে না। আশা করি বুঝতে পারছেন। না বুঝে থাকলে জানাবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০

মীনা রাজু বড় হয়না কেন?

মীনা রাজু বড় হয়না কেন?

ছোট শিশুর প্রশ্ন আমি বড় হচ্ছি কিন্তু মীনা রাজু বড় হয়না কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে বাচ্ছাকে কিভাবে বুঝাবেন?

উত্তর ১: যেসকল সচেতনতা মীনা কার্টুনের মাধ্যমে তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে তার মধ্যে আছে, বাল্যবিবাহ বন্ধ করা, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা নির্মাণ ও ব্যবহারে উৎসাহিত করা, মেয়েদের স্কুলে পাঠানো, কমবয়সী মেয়েদের বিয়ে থেকে স্কুলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া, যৌতুক বন্ধ করা, ছেলে-মেয়ে সমান পুষ্টি ও সুযোগ-সুবিধার দাবিদার, প্রয়োজনীয় ও সমঅধিকার পেলে মেয়েরাও অনেক কিছু হতে পারে তা বোঝানো, শহরের বাসায় বাসায় কাজে সাহায্য করে এমন মেয়েদের প্রতি সুবিচার ও তাঁদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।

এই সব শিক্ষা বিষয় সচেতন করার জন্য তাদের কে সব সময় ছোট থাকতে হয় এর কারনে,মিনা রাজু বড় হয় না  .

উত্তর ২: এর কারণ হলো মীনা রাজু শুধুমাত্র কার্টুন, এরা মানুষ নয়। তাই তাদের কোনো খাবারেরও প্রয়োজন হয় না, আর তাই বড় হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এই কার্টুনটি শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যমে বাচ্চাদের বিভিন্ন জিনিস শেখানোর জন্যই দেখানো হয়।

উত্তর ৩: বিষয়টা ওকে একটু ইন্টারেস্টিংভাবে  বুঝালে ও বুঝতে পারবে...কারণটা হচ্ছে মিনা রাজু এগুলো তোমাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য ওরা অভিনয় করে থাকে..এগুলা হচ্ছে বিনোদনমূলক কার্টুন..ওদের কোন প্রাণ নেই..ওদের  প্রাণ না থাকলে ওরা খাবার খেলে ও তো বড় হতে পারবে না...  তোমরা যে মটু পাটলো দেখ এগুলাতোই সেইম বড় হয় না... ওরা ও মিনা রাজু এর মতো..বড় হয় ওরা??তখন ওদের মাথায় একটু হলে ও বুদ্ধি কাজ করবে...

সোমবার, ১১ মে, ২০২০

ফেসবুক পোস্ট বুস্ট করার উপায়

ফেসবুকের মাধ্যমে বুস্ট করে আপনার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বা আপনার ব্র্যান্ড /অনলাইন শপ আপনার ব্যাক্তিগত পেজ এর প্রচার করতে চান?

এবার ঈদের আগের তুলনায় বেশি কেনাকাটা হবে অনলাইনে।

প্রশ্ন ১: কোন কোন পণ্য নিয়ে শুরু করা যায়?

১. মুদির দোকানের জিনিস-পত্র ( আপনার এলাকা বা ইউনিয়ন বা উপজেলার মধ্যে) হোম ডেলিভারী দিতে পারেন, প্রয়োজনে কাস্টমার থেকে ডেলিভারী চার্জ নিতে পারেন।

২. লেডিস - জেন্টস এর কাপর, জামা, প্যান্ট, শার্ট, টি-শার্ট ইত্যাদি পণ্য আপনার ইচ্ছানুযায়ী লোকেশনে হোম ডেলিভারী দিতে পারেন বা পণ্য বিজ্ঞাপন দিয়ে কেনার জন্য দোকানের ঠিকানা দিতে পারেন।

৩. নানান বিষয় পণ্য ( গ্যাস-সিলিন্ডার, বাজার সহ) যেকোন পন্যের সেল দিতে পারেন।




প্রশ্ন ২: কিভাবে আমি কাস্টমার পাব আমার ইচ্ছানুযায়ী লোকেশনের মধ্যে?

আপনার ব্যবসার একটি ফেসবুক পেজ থাকলে,ঔ পেজ এ আপনার পণ্যের ছবিসহ বিস্তারিত লিখে পোস্ট করলেন। এখন আপনার পণ্যের পোস্টটা আপনার ইচ্ছানুযায়ী লোকেশনের লোকদের কাছে প্রদর্শন করতে পারবেন ফেসবুকে বুস্ট করে।

বুস্টের লাভ:

* নির্দিষ্ট লোকেশন ( গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, দেশ) অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুবিধা।

* পণ্যের কোয়ালিটি অনুযায়ী (ছেলে/মেয়ে) বা ছেলে বা মেয়ে যেরকম জেন্ডার চান শুধু মাত্র সেই জেন্ডারদের নিকট বিজ্ঞাপন বা পণ্যের পোস্ট প্রদর্শন করতে পারবেন।

* আপনার ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সের লোকদের নিকট বিজ্ঞাপন বা পণ্যের পোস্ট প্রদর্শন করাতে পারবেন।

[ আপনার ইচ্ছানুযায়ী (লোকেশন, বয়স, জেন্ডারদের) নিকট ব্যবসার পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুবিধা ]

প্রশ্ন ৩ : কত টাকা খরচ হবে আর কত লোক দেখবে?
কত বাজেটে কত দিনের জন্য দিবেন আপনার ইচ্ছা। কতজন লোক দেখবে তা বাজেট এবং লোকেশন অনুযায়ী কম বেশি হবে

৫ ডলার ২৫০ টাকা ( ১-৫ দিন) (১৫০০০+ জন দেখবে)

৭ ডলার ৩০০ টাকা (১-৭ দিন) ( ২২০০০+ জন দেখবে)

১০ ডলার ৫০০ টাকা (১-১০ দিন) (৩৫০০০+ জন দেখবে)

১৪ ডলার ৬০০ টাকা (১-১৪ দিন) ( ৪৫০০০+ জন দেখবে)

এতে লাভ কি? ব্যবসা বা দোকানের প্রচার মাক বা লিফলেট দিয়ে প্রচার করতে যত খরচ হয় এখানে তার ১০% ও খরচ হবে না, আর বেশি লোকদের নিকটও পৌছাতে পারবেন তাও আপনার ইচ্ছানুযায়ী লোকেশনে।

আমাদের আরো সার্ভিস পেজ লাইক:

যত প্রয়োজন তত ১০০% রিয়েল পেজ লাইক কিনে নিতে পারবেন!

লোকেশন : বাংলাদেশ
জেন্ডার : ( ছেলে ও মেয়ে)

১০,০০০ পেজ লাইক ১৯০০ টাকা,
( সময় লাগবে ৫-৭ দিন )

৫০০০ পেজ লাইক ১০০০ টাকা,
( সময় লাগবে ৩-৫ দিন )

৩০০০ পেজ লাইক ৬৫০ টাকা,
( সময় লাগবে ২-৩ দিন )

২০০০ পেজ লাইক ৪৫০ টাকা,
( সময় লাগবে ২-৩ দিন)

১০০০ পেজ লাইক ২৫০ টাকা
( সময় লাগবে ১-২ দিন )

এছাড়া ও আপনার ইচ্ছানুযায়ী লোকেশনে ছেলে বা মেয়ে বা ছেলে-মেয়ে উভয় সহ নির্দিষ্ট বয়স ভিত্তিক ১০০% রিয়েল পেজ লাইক নিতে পারবেন, সেক্ষেত্রে মূল্য একটু বেশি হবে যা আলোচনা সাপেক্ষ।


শর্ত :

#ডিল ফাইনাল হলে যত দিন বুস্ট বা প্রমোট চলবে ততদিন আপনার পেজটিতে আমাদের একটি আইডি ইডিটর দিবেন তাহলে আমরা ডলার দিয়ে পেজটার পোস্ট বুস্ট বা প্রমোট দিতে পারব।

#পেমেন্ট : ডিল ফাইনাল হলে কাজ শুরুর আগে পেমেন্ট করতে হবে, আমরা বিশ্বস্ত কিনা তা জানতে আমাদের পেজের কাস্টমার রিভি দেখতে পারেন। ( বাকিতে কাজ হয় না)

পেমেন্ট মেথড : বিকাশ / নগদ

আমাদের ফেসবুক পেজ : HelpBangla.com Page

তো, লাগলে এক্ষুণি আমাদের এই পেজ এ মেসেজ বা কমেন্ট করে বলুন, আগ্রহ থাকলে বিস্তারিত জানুন।
অদ্ভুত মেসেজ এবং এক অপরিচিতা (৩য় / শেষ পর্ব)

অদ্ভুত মেসেজ এবং এক অপরিচিতা (৩য় / শেষ পর্ব)

এই আপনার সমস্যা কি? এভাবে কথা বলেন কেন? আমায় ভালো লাগতেই পারে। তাই বলে এভাবে ব্ল্যাকমেইল করবেন নাকি? আপনার হেয়ালি বন্ধ করেন তো। আমার এসব ভালো লাগছে না।

"" আগে তো এভাবে কথা বললে ভালোই লাগতো এখন ভালো লাগে না বুঝি। আমি তো এরকমই। এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেছেন। ভালোই। "

মানে? এতো কিছু কীভাবে জানলেন?

আজ আর ৩ টা অবধি অপেক্ষা করতে হলো এর আগেই মেসেজ চলে আসলো।

"" আরে, আমি মাহা। মিলার বোন। আপনার সাথে আমার কথা হয়নি। আর এসব মেসেজ মিলা দিয়েছে। মানে ও আমায় বলেছিল আপনাকে দিতে। আমার সাথে সব কিছু শেয়ার করে তো। রাত ৩ টা হলেই আপনাকে ওর মনের কথা জানাতে চায়। আমাকে বলে আপনাকে এসব মেসেজ দিতে। আমি তো আর ওর কথা ফেলতে পারি না। মিলার কথা মনে আছে? মনে থাকবেই না কেন? ওর সাথে তো আপনার বিয়ে ঠিক হয়ে আছে। আপনি কিন্তু আমাদের বাসায় আসবেন। মিলা দেখতে চাইছে আপনাকে। "

অমি পুরো ঘটনাটা বুঝতে পারে না এখনো। মিলার সাথে ওর বিয়ে ঠিক হয়েছিল ঠিক আছে। কিন্তু, বিয়ের কিছুদিন আগে একটা দুর্ঘটনায় মিলা মারা যায়। মিলার কথা মনে পড়তেই অমির মন খারাপ হয়ে যায়। মিলা খুবই ধার্মিক প্রকৃতির ছিল। তাই তো বিয়ে ঠিক হয়ে যাওয়ার পরও কথা বলেনি। বলেছিল আগে বিয়ে হোক তারপরে যা কথা হওয়ার হবে। মিলার সাথে খুব একটা কথা যদিও হয়নি তাও সে যে একটু খামখেয়ালি ছিল তা ভালোই বুঝতে পেরেছিল অমি। এটা দেখেই তো অমির ওকে ভালো লেগেছিল।মাহা মিলার জমজ বোন। তার সাথেও কথা হয়নি। কিন্তু যতদূর জানে মাহাও মিলার মতোই। এরকম করার মেয়ে ও না। আর খামখেয়ালী তো একটুও না৷ আর বোনের মৃত্যুতে ওই সবচেয়ে কষ্ট পেয়েছে। সে তাহলে কেন এভাবে কথা বলছে? সে তৈরি হয়ে মিলার বাসায় যায়। সেখানে যাওয়ার পর মিলার মা বাবাকে কথাগুলো বলে। মিলার মা বাবা বলেন, মিলা মারা যাওয়ার পর থেকে মাহা অন্যরকম হয়ে গেছে। মিলার সাথে না কি সে কথা বলে। মিলা নাকি তার অপূর্ণ ইচ্ছাগুলো এসে মাহাকে
বলে। মাহা, তা পূরণ করার চেষ্টা করে। মিলা মারা যাওয়ার ধাক্কাটা মাহা এখনো সামলে নিতে পারেনি। সে মিলাকে কল্পনা করা শুরু করেছে। তাকে ডাক্তার দেখানো হয়েছে। ডাক্তারের কথামতো তার দেখাশোনা করা হচ্ছে। তবে মাহা কবে ঠিক হবে বা আদৌ ঠিক হবে কি না তা কেও জানে না।

তাদের কথা শেষ হলেই অমি হঠাৎ শুনতে পায় পাশের ঘর থেকে মাহা বলছে, মিলা দেখ, অমি এসেছে। তুই কথা বলবি বলছিলি না? যা গিয়ে কথা বলে আয়..... তারপর মা কে ডেকে বলে, অমি যেন রাত ৩ টা অবধি অপেক্ষা করে। মিলা আসবে কথা বলার জন্যে............।

( সমাপ্ত)