Full width home advertisement

Post Page Advertisement [Top]

ঠান্ডা মাথায় কথা বলে লাভ হয়নি। তাই সরাসরি গভীর রাতের অন্ধকারে চিনা সীমান্ত অতিক্রম করে  একাধিক  চিনা আউটপোস্ট জ্বালিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। কি হয়েছিল সেদিন রাতে? চিনের জবাবই হামলার প্রতুত্তর  কিভাবে দিয়েছিল ইন্ডিয়ান আর্মি? সংবাদসংস্থার হাতে উঠে এসেছে সেদিন রাতের বিস্তারিত রিপোর্ট। কীভাবে জওয়ানদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল সন্তোষ বাবু। আহত হয়েও কীভাবে ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন? উঠে এসেছে সেই রিপোর্ট।
১৫ জুন রাতে প্রথমে সংঘর্ষের পথে হাঁটেনি ভারত। চিনা সেনাদের ওই পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধই করেছিল ভারতীয় সেনা৷ নম্রভাবে বোঝাচ্ছিলেন সন্তোষ বাবু। কিছুতেই সরতে রাজি হয়নি চিন সেনা। পূর্ব পরিকল্পিত আক্রমণ চালায় তারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আহত হন ওই আফিসার। ১৫ জুন বিকেলে ভারতীয় সেনার সিনিয়র অফিসাররা শাইয়ক এবং গালওয়ান নদীর সংযোগস্থলে Y পয়েন্টে উপস্থিত হন৷ সেখানেই চিনা বাহিনীর অফিসারদের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হওয়ার কথা ছিল৷
সূত্রের খবর, ১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টের অফিসার সহ ভারতীয় সেনা জওয়ানদের নির্দেশ দেওয়া হয়, চিনের সেনাবাহিনী যাতে ১৪ নম্বর প্যাট্রলিং পয়েন্ট থেকে তাদের পোস্ট সরিয়ে নেয়, তা নিশ্চিত করতে৷ সেখানেই পৌঁছেই কর্নেল সন্তোষ বাবু বুঝতে পারেন যে এরা কোনও সাধারণ সৈন্য নয়, যাদের সঙ্গে প্রত্যেকদিন বোঝাপড়া করতে হয়। এরা নতুন বাহিনী। কম সময়ের নোটিশে তাদের নিয়ে আসা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কর্নেল সন্তোষ বাবুর আশঙ্কাই সত্যি হয়ে যায়। প্রথমেই অন্তত আধ ঘণ্টা চলে হাতাহাতি। তাতেই আহত হন অনেকে। ভারতীয় সেনা তখন বেশ উদ্ধত। কিন্তু তাঁদের শান্ত করেন সন্তোষ বাবু। চিনের আর্মি পোস্ট জ্বালিয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। কর্নেল সন্তোষ বাবু আহত হতেই প্রতিপক্ষের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিহার রেজিমেন্টের জওয়ানরা। প্রতিপক্ষ সংখ্যায় বেশি হওয়া এবং উপর থেকে পাথর বৃষ্টি সত্ত্বেও চিনা সেনাদের ঘায়েল করতে শুরু করেন ভারতীয় জওয়ানরা। রাত তখন ৯ টা। পরের দফায় অন্তত ৪৫ মিনিট ধরে চলে সংঘর্ষ। গভীর রাত পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে৷ ঘটনাস্থলেই চিনা বাহিনীর একাধিক সেনার মৃতদেহ পড়ে ছিল। Collected link: https://jugasankha. in/ midnight- military-operation-chinese-outpost-fi red-up-by-in dian-army-ladakh-co nflict-india- china/

Bottom Ad [Post Page]