Full width home advertisement

Post Page Advertisement [Top]

দেশজুড়ে মূর্তি ভাঙার ঘটনায় এবার কড়া বার্তা দিল ট্রাম্প প্রশাসন। এই কাজে জড়িতদের দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মেমোরিয়াল প্রিজারভেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী স্মৃতিসৌধ, মূর্তি কিংবা এই ধরনের কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পত্তি ভাঙচুর কিংবা ধ্বংসের দায়ে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা অনুমোদন করেছি।’ অ্যারিজোনা সফরে রওনা দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এই কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘খুব শীঘ্রই আমি একটি নির্বাহী আদেশ দেব আর এর সবই বর্তমানে বহাল থাকা বিষয়ই আবারও প্রয়োগ করা হবে’।

ট্রাম্প যে সরকারি সম্পত্তির কথা বলেছেন মার্কিন আইন অনুযায়ী তা ভাঙচুর করলে জরিমানা কিংবা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রসঙ্গত, কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পরেই মার্কিন মুলুকের বিভিন্ন প্রান্তে মণীষীদের মূর্তি ভাঙার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। দেশজুড়ে মূর্তি ভাঙার যে হিড়িক শুরু হয়েছে, তাতে রাশ টানতে কড়া পথে হাঁটতে চাইছে মার্কিন প্রসিডেন্ট। এদিকে সোমবার রাতে হোয়াইট হাউসের কাছে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের একটি মূর্তি ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পরে পুলিশ পিপার-স্প্রে দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা মূর্তিটির ওপরে উঠে তা দড়ি দিয়ে বেঁধে উপড়ে ফেলার চেষ্টা চালায়। তবে তাতে সফল হয়নি তারা। ১৯ শতকের প্রেসিডেন্ট জ্যাকসন স্থানীয় আমেরিকান নাগরিকদের ওপর নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিচিত। আর সেকারণেই তার মূর্তিটি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে বলে মনে করা হয়। গত ২৫ মে মিনিয়াপোলিশে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ আধিকারিকদের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের নৃশংস মৃত্যুর প্রতিবাদে মার্কিন মুলুক জুড়ে শুরু হয়েছে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন। সমস্ত দেশেই এই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দেশের সেনা আধিকারিক এবং পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন দমাতে নিপীড়নের রাস্তায় হাঁটতে রাজি হননি।

তথ্যসূত্র: jugasankha . in/ trump-threatens-10-years -in-prison -for-vandalizing-statue

Bottom Ad [Post Page]