Facebook And Youtube Tips

ইউটিউবে জনপ্রিয় হওয়ার সেরা উপায়

HelpBangla.com এ আমার নিয়মিত টিপসের আজকে জানাব কিভাবে ইউটিউব video সার্চে প্রথমে আনা যায় ও ইউটিউব  Video এর ভিউ বাড়ানোর নিয়ম।
Google সার্চে নিজের video কে প্রথমে দেখতে চায় সকলেই। Google এ প্রথম পাতায় নিজের website নিয়ে আসতে চায় সবাই। এ জন্য (seo) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ করে থাকেন website মালিকরা। Search ইঞ্জিনে সবার আগে নিজের website কে তুলে আনতে সাহায্য করে seo।
আর Search ইঞ্জিনে সাইট সবার আগে এলে সাইটের ভিজিটরও বাড়ে। ঠিক তেমনিভাবে ইউটিউবে Videoকে সবার আগে তুলে আনতেও ঠিকমতো seo করতে হয়। যেন Search করলে Search ইঞ্জিনে প্রথমে আসে আপনার Video টি।
বর্তমানে ইউটিউব এর জনপ্রিয়তা এখন গুগলের পরেই।  অপ্রতিদ্বন্দ্বী Video শেয়ারিং সাইট এখন ইউটিউব ।সাধারণ ব্যবহারকারীরা পড়ার চেয়েও বেশি Video দেখতেই পছন্দ করেন। 
নানাবিধ ব্যবহারের জন্য  Youtube এখন শুধুমাত্র Video দেখা  কোনো প্রকার বিনোদনের মাধ্যম নয়।
এখানে  Video upload করে ভিউর উপর বিজ্ঞাপন থেকে টাকা আয় করা যায় এখন অনায়াসে। তবে অবশ্যই এজন্য আপনাকে কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। আমাদের কিছু কৌশল জানতে হবে়। আজকের টিপসে থাকছে এই বিষয়ের উপর প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য।
Youtube ভিডিওকে সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম সারিতে আনতে seo খুবই কাজের একটি মাধ্যম.
এতে onpage অপটিমাইজেশন ও Offpage অপটিমাইজেশন দুটি বিষয়ের সমান গুরুত্ব রয়েছে। আজকের টিপসে  Video Seo-এর off পেজ অপটিমাইজেশনের প্রাথমিক বিষয়গুলো আলোচনা করা হল।
ইউটিউবে মন্তব্য :
ইউটিউবের Video টি কেমন হয়েছে তা নির্ভর করে ইউটিউব ভিউয়ারদের ওপর। Video দেখে অনেক ব্যবহারকারী কমেন্ট করে কেউ ভাল প্রসংশা করেন, আবার কেউ বা কটু কথাও বলে।একই Video সবাই প্রসংশা করবে এমনটা কিছু কখনো ভাবা উচিত নয়। তাই কমেন্টের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর মাথা ঠান্ডা সুন্দর করে দিতে হবে। এতে পাঠক  উওরগুলো বুঝতে পারে এবং ভাল লাগলে পুনরায় ইউটিউব চ্যানেলটিতে Video দেখতে আসে।
Youtube এ নেগিটিভ মন্তব্যেগুলোতে যুক্তি দিয়ে ভালোভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে যেন Youtube ভিউয়ারের ভুল ধারণাটি ভেঙ্গে যায়। Youtube Video তে কোনো রকম ভুল থাকলে সেটা অবশ্যই স্বীকার করে নেয়াই ভালো।
এতে করে ইউটিউব ভিউয়ারদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়। ইউটিউবের প্রতিটি মন্তব্য কিন্তু আপনার ইউটিউব চ্যানেলের র্যাংক বা জনপ্রিয়তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । তাই ইউটিউবের মন্তব্যকে চ্যানেলের লক্ষী হিসেবেই ভাবতে হবে, হোক না মন্তব্যটা কিছুটা কটু।
ইউটিউবে ব্যাকলিংক :
আপনার Youtube Video যত বেশি প্রচার পাবে, ততো বেশি view পাওয়া যাবে। তাই আপনার যত বেশি সম্ভব আপনার ইউটিউব এর জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।
এজন্য বিভিন্ন ব্লগে পোষ্ট সহ টুইটার ও Facebook এ বেশি করে Video টির লিংক শেয়ার করতে হবে। তবে কোন কিছুই এলোমেলোভাবে শেয়ার না করে তা বিষয়ভিত্তিক এবং সুকৌশলে শেয়ার করতে হবে।
আপনার মনে রাখতে হবে Link শেয়ারকে কেউ যাতে  স্প্যামিং না ভাবেন। এতে অনেকের আপনার Youtube চ্যানেলটির পক্ষে  খারাপ ধারণাও হতেপারে । ফলে এতে হিতের বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে আপনাকে অর্ডিয়েন্স টার্গেটকে লক্ষ্য করে অবশ্যই video লিঙ্ক শেয়ারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। তাদের কাছে সুকৌশলে পৌঁছে দিতে হবে আপনার ইউটিউব  video এর লিংকটি।
ভিডিওর লাইক বা ডিজলাইক:
Facebook এর মতো ইউটিউবেও  Like options রয়েছে। Video টি পছন্দ না হলে dislike বাটনও রয়েছে। যে কোনো youtube  ব্যবহারকারী এ অপশন দুটি সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।
ইউটিউব Video  র্যাংকিং অনেকাংশে Videoটির Like ও dislike  উপর নির্ভর করে থাকে। যত বেশি লাইক পাওয়া যাবে Search রেজাল্টে ততো আগে Videoটি দেখার সুযোগ তৈরি হবে।
কপিরাইট ভিডিও  :
ইউটিউব ও গুগল কর্তৃপক্ষ কপিরাইটের ব্যাপারে খুব বেশিই কঠোর। ইউটিউব চ্যানেলে অন্য কারও  Video ডাউনলোড করে সেটা upload না করাই উচিত। কেননা ইউটিউব কপিরাইট Video  পাবলিশ করতে অনুমতি কখনোই দেয় না।
ইউটিউব এর কতৃপক্ষ কপিরাইট জটিলতার কারণে ইউটিউব  চ্যানেলটি সময়িকভাবে ব্লক করে দিতে পারে । এছাড়াও কপিরাইট ভিডিও আপলোড দিলে সার্চ ইঞ্জিনে পাওয়া যায় না তাই ভিউ একেবারে কম হয় এর জন্য কখনো download করা অন্যের ভয়েস আপনার ভিডিওতে লাগাবেন না.
ইউটিউব ভিউ বাড়ানোর অপকৌশল:
অনেক Youtube চ্যানেলের মালিকরা নিজের Id দিয়ে বার বার Video টি play করে ভিউ বৃদ্ধি করে থাকেন। এতে সমস্যা সহ হিতের বিপরীত হতে পারে। মনে রাখবেন ইউটিউব কতৃপক্ষ এতটা বোকা নয় যে এটি ধরতে পারবে না এতে ব্যান হয়ে পারে আপনার  ID।
ইউটিউবে কিওয়ার্ড ব্যবহার:
Search এ ভালো ফল পেতে  Video upload করার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্য সঠিক কি ওয়ার্ড বাচাই করে ব্যবহার করতে হবে। কারণ সবাই  Search এ প্রথমে যে সাবজেক্ট লিখেই কোনো কিছু খুঁজে থাকেন তার উপর নির্ভর করে প্রদর্শিত হয় ভিডিওগুলি । ইউটিউবে ভিউয়াররা আপনার ভিডিওটির সাথে সংযুক্ত  কি কি শব্দ ব্যবহার করে  Search করে তার সঠিক অনুমান করে টাইটেল ও হ্যাশট্যাগে কি ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
ভিডিও কোয়ালিটি :
আপনি যেই বিষয়ে ইউটিউব Video বানান না কেন Video কোয়ালিটি ভাল না হলে ভিও পাবার সম্ভবনা কম। ইউটিউব ভিডিও করার জন্য ভাল ক্যামেরা আর ইডিটিং করার জন্য এমন সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা উচিত এতে আপনার Youtube Video টির কোয়ালিটি ভাল বা ঠিক থাকে।
নিজের ইউটিউব ভিডিওতে অন্যের ভয়েস না লাগানো :
ধরুন আপনি কষ্ট করে Youtube  Video তৈরী করলেন কিন্তু ইউটিউব Video টিতে ইন্টারনেট থেকে ডাওনলোড করা ভয়েস বা গান সেট করে আপলোড করলে তেমন ভিউ পাবেন না। কারণ  এটাকে কপিরাইট হিসেবে ধরবে youtube বট । তাই নতুন বা ইউনিক ইউটিউব Video বানানোর চেষ্টা করবেন।
ইউটিউব ভিডিওতে নিয়মিত আপডেট রাখা
আপনার ইউটিউব চ্যানেলে আজকে একটা Video দিলেন আবার পরের Video কয়েক দিন পর ও তার পরের ভিডিও কয়েক সপ্তাহ পর আপলোড করলেন। এতে করে জনপ্রিয় হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম।নিয়মিত ভাবে ইউটিউবে Video আপলোড করুন, যেমন সপ্তাহের প্রথম দিন বা মাসের প্রথম সপ্তাহ এরকম,এতে যারা সাবস্ক্রাইব করছে তারা জানতে পারবে আপনার ইউটিউবে কখন Video আপলোড হয়।
নিয়মিত টিপসের জন্য HelpBangla.com ভিজিট করে সাথে থাকুন।
এরকম নিত্য নতুন তথ্য জানতে HelpBangla.com নিয়মিত ভিজিট করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button